লেখকঃ সারোয়ার আলম
(আনাদলু এজেন্সির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষক)
আমেরিকা ইউক্রেন থেকে,
সব সৈন্য সরিয়ে নিয়েছে, দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের দেশে নিয়ে গেছে। আমেরিকানদের ইউক্রেনে ভ্রমণ না করতে পরামর্শ দিয়েছে। কারণ, রাশিয়া যে কোন সময় ইউক্রেন আক্রমণ করবে।
ব্রিটেন বলেছে,
রাশিয়া যে কোন সময় ইউক্রেনে হামলা করবে।
ন্যাটো সমস্যা সমাধানে,
রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলকে আনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে এখনো স্পষ্ট নয় যে,
ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে রাশিয়া কি আসলেই ইউক্রেনে আক্রমণ করবে নাকি শুধুই ধাপ্পাবাজি করছে আমরা নিশ্চিত জানি না।
ফ্রান্স আরো একধাপ এগিয়ে বলেছে,
রাশিয়ায় ইউক্রেনে আক্রমণ করার কোন ইঙ্গিত নেই। ফরাসি দূতাবাস বন্ধ করার বা ফরাসিদের ইউক্রেন ছাড়ার দরকার নেই।
জার্মানি ইউক্রেনে,
তার গ্যাসের গ্যারান্টি নিয়ে চিন্তিত।
চীন ইউক্রেনে,
দূতাবাস খোলা রেখেছে। স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড চলছে।
আরব আমিরাত বলেই দিয়েছে,
রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের সম্ভবনা নেই।
রাশিয়া বরাবরের মতো একই কথা বলছে,
সমস্যা সমাধানে আলোচনার টেবিলকেই গুরুত্ব দেয়া দরকার।
এছাড়া ইউক্রেন জানিয়েছে,
আমরা পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করতে চাই না। শুধু ভীতি সৃষ্টি করে মানুষ মধ্যে আতঙ্ক চড়ানোর দরকার নেই। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষে।
এদিকে বিপদের সময় দেশকে ফেলে রেখে ইউক্রেন ধনীরা এবং প্রভাবশালীরা দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সাধারণ, গরিব খেটে খাওয়া মানুষ কাঠের বন্দুক হাতে যুদ্ধের ট্রেনিং নিচ্ছে।